সকাল হতে না হতে বাড়ির পিছনের বাগানে সবে লাগানো বেগুনের চারাগুলোর চারপাশের মাটীটা একটু আলগা করে দিচ্ছিল আবদুল। এই বাগান করা দিয়েই দিন শুরু হয়। ক দবছর আগেও এই সময়টা পাওয়া যেত না। সকাল হতে না হতেই গ্রামের মানুষের ঢল নামতো এই ছোট্ট বাড়িটায়। নামবে নাই বা কেন বলো, তিন তিনবারের এলাকার বিধায়ক সে। কম কথা তো নয়। মানুষের বিপদে আপদে ছুটে বেড়ায় সে। গ্রামের পথে যেতে যেতে এলাকার মানুষের ডাকে সাড়া দিয়ে তার দাওয়ায় বসে পড়ে তাদের সঙ্গে সুখ দুঃখের কথা বলে। এক একদিন তো তাকে শুনতে হয়েছে, এবার নিয়ে তো তিনবার এমএল এ হলে এবার বাড়িটা দোতলা করো। প্রাণী তো তিনটে। ছেলে সদরে কলেজে পড়ে। আর আমি তো বাইরে বাইরে থাকি।বয়েসও হচ্ছে। ওসব কি হবে। বলে ওঠে আবদুল মতিন। লোকে কি বলে জানো, পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়ি দেকো, নিদেন মেম্বারের বাড়ি দেকো আর তোমার বাড়ির দিকে তাকালে বোঝার উপায় নাই তুমি তিনবারের এম এল এ। কদিনে যেন সবাই ফুলে ফেঁপে উঠলো। আর তুমি.. হারাণ মিত্তির বলে উঠে। গ্রামের ...