Skip to main content

কলিকাতার প্রথম মাসিকপত্র

    কলকাতার সর্ব প্রথম মাসিকপত্র প্রকাশ হয় ১৭৮৫ খ্রীষ্টাব্দে। এই মাসিক পত্রিকার নামটি ভারী অদ্ভুত ঠেকলেও  বিষয়বস্তুর ভারে পত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ  ছিল   বোঝা যায় প্রথম সংখ্যাটি দেখলেই বোঝা যায়। ১৭৮৫ খ্রীষ্টাব্দের ৭ই এপ্রিলে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞাপনে প্রথম এই মাসিক পত্রিকার সন্ধান পাওয়া যায়। এই বিজ্ঞাপনে লেখা হয়, ‘ওরিয়েন্ট্যাল ম্যাগাজিন এবং কলিকাতার আমোদপ্রমোদ' নামক একখানি নতুন মাসিকপত্রের প্রথম সংখ্যা বাহির হইয়াছে। প্রতিমাসের প্রথম বুধবারে ইহা বাহির হইবে। বর্তমান সংখ্যায় নিম্নলিখিত চিত্তাকর্ষক বিষয়গুলি আছে। (১) হেষ্টিংস সাহেবের জীবনী ও এদেশের কার্য- বিবরণী সম্বন্ধে বিস্তৃত ইতিহাস-( ভূতপূর্ব গবর্ণর সাহেবের সুবৃহৎ ছবি সম্বলিত ) (২) ভারতের ইংরাজাধিকার সমূহে সুশাসন ও শৃঙ্খলা স্থাপনের জন্য, পার্লিয়ামেন্ট যে নূতন বিধান বা রেগলেসন প্রচলিত করিয়াছেন, তাহার পূর্ণ বিবরণ। ইহা ছাড়া আরও অনেক জ্ঞাতব্য বিষয় ইহাতে আছে। গর্ডন ও হে সাহেবের ছাপাখানায় ইহা পাওয়া যাইবে।“

    ‘On the 6th April 1785 was published by Messrs Garden and Hay the first nudmber of the Oriental Magazine or Calcutta Amusements a monthly.  W.H.Carey,Good Old days of John Company,Riddhi Ed,1980, p.273 


- সিদ্ধার্থ বসু


Comments

Popular posts from this blog

উজ্জ্বল উদ্ধার — প্রাচীন বাংলার গান ও কবিতা

      প্রাচীন বাংলার কবিতা ও গানে সেইসময়ের সমাজ জীবনের নানান দিক ধরা পড়ে। যেখানে সেইসময়ে মেয়েদের জীবনে বিয়েকে ঘিরে যে চিত্র উঠে আাসে তা আজকের মতোই বিষাদময়। পণপ্রথার শিকার সেদিনের কণ্যাদায়গ্রস্থ পিতার। একটা অসম্পূর্ন কবিতায় এই ছবি ধরা পড়ে।          বাড়ীর পিছে ডালম  গাছে একটি ডালম ধরে।                 একটি ডালম ছিঁড়ি রাজা কণ্যাদান করে।।         কণ্যাদাণ করি রাজা ফোঁপাই ফোঁপাই কাঁদে।          বড় ভাইরে কাঁদন করে দোলার ঝলির খুন্তা ধরি।।                ছোট ভইনে কাঁদন করে খেলার ঘরে বসি।।         আমার দিদি কনে নিল খেলা ভঙ্গ করি।        বড় ভইজে কাঁদন করে পাক ঘরেতে বসি।।   কণ্যাদান প্রথার থেকে রেহাই মেলে না রাজারও। সামান্য ডালিম দিয়েও তাকে কণ্যার বিয়ে দিতে হয়। ঘৃণ্য পণ প্রথা যে প্রাচীনকালেও অব্যাহত ছিল তা ধরা পড়ে এই কবিতায়।      এই প্রস...